Hi User ! Share your Problem.

নতুন কিছু পেতে আমাদের সাথে থাকুন ৷

Categori List

Home » kobita reading » শাকিল শামীমের ঘরির রহস্য
Tags:

শাকিল শামীমের ঘরির রহস্য


****ঘরির রহস্য ***
শামীম আল মামুন
আমি আজ জা বলব তা প্রায় ৮ বছর আগের কথা ৷ আমার বন্দ্ধু সাকিল পুরা নাম মোঃ সাকিল আহমেদ ৷ আমরা সেদিন কি যেন করছিলাম, হ্যা মনে পরছে আমরা দু জনেই নকশা আকছিলাম ৷ হটাৎ আমাদের দুজনের দেহ হিম করা চিৎকার সুনে আমি তো ফ্রিজ হয়ে ভাবছি কি করবো এর মধ্যেই দেখি সাকিল নেই ৷ একটু পর হাপাতে হাপাতে ফিরলো আমি জিঙ্গাস করাতে বলল ইস আর একটু তাহলেই চোরটা ধরতে পারতাম রে, তাই বলে হাত চাপরাতে লাগলো ৷ কার বারিতে চোর উটলো কি চুরি করছে সাকিল বললো জানা জায়নি তবে জানতে হবে চল বলে আমার হাত ধরে টানতে টানতে নিয়ে গেলো দশ বারো বারি পরেই ৷ সেখানে গিয়ে যেটা লক্ষ করলাম সেটা হলো একদল মহিলা সম্ভাবত বারির গৃহবধু হবে তাকে ঘিরে আলোচনা করছে ৷ আমার হাত তখনো সাকিলের হাতের ভিতরেই ছিলো ৷ আমাকে ফিস ফিস করে বললো চল এদিকে ঘটনাটা দেখি কি হয়ছে ৷ প্রায় দু ঘন্টা দেখার পর সাকিল বললো চল বারির পিছন দিকে বলতে যা দেরি তার আগেই টেনে নিয়ে গেলো ৷ আমি এ বারিতে কখনো ঢুকিনি বলেই মনে হয়, যদিও বা ঢুকে থাকি সেটা বুদ্ধি হবার আগেই ৷ মাটির দেওয়াল পর্যাবেক্ষন করছে আর বলছে হুম চোরটা তাহলে এই প্রাচির টপকেই বারিতে হানা দিয়েছে ৷ তুই বুজলি কেমনে..? বলল খুব সহজ তুই হাত দিয়ে দেখ প্রাচির উপরের দিকে, আসলেই তো! আমি বললাম তুই তো গয়েন্দার মতো কাজ করছিস রে, বলতেই পিটে একটা চাপ্পর মেরে বলল সাবাস ! চল শামীম বারি যাই কত কাজ আছে ৷ নিজের পরিচয়টাও দিতেও ভুলে গেছি বলি তাহলে বলেই ফেলি ৷ আমি মোঃ শামীম আল মামুন বর্তমানে বয়স ১৮ বছর ৬ মাস ১০ দিন ৷ বাবা-মার ছোট ছেলে বাকি তিনজন বড় বোন ৷ খুব বেশি গরিবও না আবার খুব বেশি বড়লোক না, আমাদের মাটির দেওয়াল টিনের চাল সোবার ঘরে, রান্না ঘর ও গরুর ঘর খরের চালে ৷ বারিতে আম, জাম, কাঠাল, লেবু, পেয়ারা, ডালিম, কামরাঙ্গা, নারিকেল, ছাড়াও হরেক রকমের ফুল গাছ দিয়ে সাজানো বাড়ি আমাদের ৷ বাবা পেষায় গ্রাম্য ডাক্তার আর মা গৃহিনি, বোনদের বিয়ে হয়ছে আমি পরি আর আর্টকরি ৷ সাকিল আমার মামাতো ভাই ওরা দুই ভাই সাকিল বড় ওরা বড় লোক ওদের অনেক জমিও আছে ৷ মাটির দেওয়াল হলেও সব রং করা এবং টিনের চাল দেওয়া ৷ রান্না ঘর গরুর ঘর খরের চালের ৷ আসলে আমাদের এইদিকে সবার বাড়িতেই মাটির দেওয়াল আর খরের চাল আদিম যুগ থেকেই চলে আসতেছে ৷ অথছ গ্রামে ইলেক্ট্রেসিটি আছে টেলিভিশন প্রত্যেক বারিতেই আছে, মোবাইল তো ছোট বড় সবার কাছেই আছে এই আমার কাছেই তিনটা মোবাইল ৷ ডিজিটাল যুগেও নাকি খরের চাল রাখতে হবে ৷ সবে দু একবারি দালান শুরু করেছে তবুও খরের চাল আছেই ৷ সাকিলের বাবা রাজনিতি করে মা গৃহিনি সাকিল আমি এক সাথেই কলেজে পরি ৷ আর বাসায় কোন কাজ না থাকলে বট গাছে উঠে আজগবি সব কথা বলি আর হাসি ৷ চুরি হবার পরের দিন বিকেলে বট গাছে উটে গল্প করছি মেয়েকে নিয়ে আমি যে মেয়ে পছন্দ করি ওই বলে মেয়ে টা কেমন দেখলি, তাকিয়ে ছিল কিরকম করে আমার দিকে হাসিটা দেখছিস আমিতো পাগল হয়েগেছি আমি বললাম তাহলে তো তোকে পাবনা নিয়ে যেতে হবে উওরে বলল কেন? আমি কিছুই বললাম না ৷ অথছ একজনকে ভালোবাসে শুধু আমিই বেকার পরে আছি, সালা আমি যাকে পছন্দ করি নিজের বলে চালিয়ে যায় ৷ এই কালকে হবে আমি সাকিল রাস্তা দিয়ে হাটছি ভ্যানে খুব সুন্দরি মেয়ে দেখে আমি দৌরে উটবো পিছন থেকে টেনে বললো তোর ভাবিকে কেমন দেখলি ৷ হটাৎ করে গাছ থেকে নেমে বললো চল চার দিনে চোরটাকে ধরবো ৷ কেমন করে গয়েন্দা হলো আমি ভেবেই যাচ্ছি ৷ যে কি না একটা মেয়ের ঠিকানা বাহির করতে সময় নেয় ১সপ্তাহ সে কিনা ৪ দিনে চোর ধরে দেখাবে সুনে তো আমার হাসি কোথায় রাখি পেটের চামরা বেথা ধরে গেলো হা হা হা হা হা হা হা ওমা ৷ সোজা রাস্তা দিয়ে চুরি হওয়া বারিতে গিয়ে বললো চাচা চাচা আপনার বারিতে সেদিন কি চুরি হয়েছিল চোরকে ধরতে পেরেছেন কী ৷ আমিতো মাথা মন্ডু কিছুই বুঝতে পারছিনা আমি শুধু শুনছি ৷ যে প্রশ্ন গুলা করলো মামাকে, মামা বললাম এই জন্যই যে সাকিলের চাচা হলে আমারোত মামাই হয় তাই নয় ক? প্রশ্নগুলা হুবাহু তুলে ধরলাম ৷ ১. চাচা চোরের উচ্চতা কত টুকু দেখতে পেরেছেন কি ? উওরে বলল, হ্যা ৷ চিকনা আর বেটে আকারের ৷ ২. মুখ দেখতে পারছেন কি? উওরে না! ৩. পরনে তো কালো টি সার্ট আর লুঙ্গি যেটা এখন আমার কাছে ৷ আমরা দুজনেই অবাক হয়ে একসাথে বললাম বলিস কিরে! ৪. আচ্ছা চাচা আপনার বারিতে চোর কেন চুরি করতে আসলো? এবার আমি না বলে থাকতে পারলাম না, সাকিল তোর কি বুদ্ধির ভান্ডার ফুরিয়ে গেছে আমি দু লিটার ভরে দেবো ৷ সাকিল হেসে বলল তুই চুপচাপ শোন চাচা কি হলো বলেন ৷ চাচা বলল ওহ সরি মামা বলল আমার ছোট মেয়ে ও জামায় চুরি হবার দু দিন আগে এসেছে ৷ কিন্তু জামায়ের হাতে একটা চমৎকার ঘরি আছে ৷ ঐ ঘরি টা নিতেই চোর ঢুকেছিল দুজন ৷ আমি আর সাকিল দুজনেই বলে উটলাম দুজন চোর একটা ঘরি চুরি করতে ৷ মামা বলল এটা কোন সাধারন ঘরি না ৷ আমি তো হা ৷ সাকিল বলল ঘরিটা কি আছে না গেছে, না এখন এটা আমার কাছেই রেখে দিছি, চল দেখায় এই বলে ঘরে ঢুকলো আমরাও ঢুকলাম ৷ ঘরটা বেশ পারিপাটি ও নিখত ভাবে সাজানো দেখলেই মনে অনন্ত কাল রয়ে যাই ৷ ঘরের পচ্চিমদিকে একটা দরজা একটা জালানা আর মেয়েদের সাজুগজুর জন্য এয়া বড় ডেসিংটেবিল, কিছু পেন্ডিং আছে দেওয়ালে ৷ ঘরের অন্য দিকে দরজা বরাবর দেওয়ালের মাঝে আলমারির মতো বলতে আলমারিই বলা যায় ৷ এটার চতুরদিকে হাতের কাজ করা এর আগে এমনটা দেখেনি, যে তৈরী করছে তার হাতের অনেক নাম আছে ৷ ঘরে যে থাকে তাকে দেখতে মনটা টানছে আহা যতসুন্দর ঘরখানা না জানি যে থাকে সে কতয়না সুন্দরি ৷ তালা খোলার শব্দে চোখ ঘুরাতেই দেখি সাকিলও ঘরটাকে দেখছে ৷ দুজনেই বাক্সের কাচে গেলাম ৷ বাক্সটাও অনেক পুরোনো বলেই মনে হলো ৷ দরজার থেকেও বড় আর উপরের দিকটা চৌকির মতো আন্দাজ করে বলতে পারি আগে হয়তো এর উপরে কেউ ঘুমাতো যেহুতু উচ্চতা বেশি নয় সেহেতু থাকতেই পারে ৷ বাক্সের ঢালা খুলতে আমরাও সাহায্য করলাম ভিতরের দৃশ্য দেখে আরো অবাক সুরে বললাম কে তৈরী করছে এই যাদুর বাক্স উওরে যা পেলাম, এটা ১৮০০ সালে তৈরী তার দাদার দাদার আমলের ৷ এটা নাকি চোরদের থেকে সোনা দানা সহ মুল্যবান জিনিস লুকেয়ে রাখতে বিশেষ ধাতু দিয়ে তৈরী ৷ সেও জানেনা কোন ধাতু বাহিরে কাট কিনতু ভিতরে আলো বিশিস্ট কোন ধাতু আছে যেটা দিয়ে তৈরী হতে পারে ৷ আরো বলল এর ভিতরে হাত দিলে হাত আটকে যাবে , এই যে দেখতে পাচ্ছো তো এটা কিনতু ঢালার দিকে লক্ষ করে দেখি চুইচ লাল নিল কালো আরো পাচটা কালারের বাটন এবং প্রত্যেক বাটনের কালারেই ভিতরের ছোট ছোট বাক্স আছে ৷ মনে মনে বলছি চোরটা ভালোই করছে ঢুকে কিনতু বেটা ঘরি কি করবে ৷ এমন সময় শব্দ সুনে বাক্সের দিকে চোখ পরতেই দেখি লাল রঙ্গের বাক্সটৈ উটে এলো ৷ সেটা নিয়ে খাটের উপরে রেখে বলল দেখ এটা কি ভাবে খুলি নিয়ে আসলো চম্বুক বাক্সের উপরে ধরতেই খুলে গেল ৷ কেমন গোলমেলে বেপার দেখে দরজার দিখে মুখ নিতেই একটা মুখ সরে গেলো মেয়ে মানুষের সম্ভাব এই ঘরে যে থাকে ৷ ঘরি দেখবো এমন সময় সাকিল চেচিয়ে বলল কে কে জালানার পাশে উকি দিলো দেখত শামীম আমি এগিয়ে দিখলাম চিকনা মুখে গামছা দিয়ে ঢেকে দৌরতাছে ৷ ভাবলাম এটা সেই চোর নয়তো যদি সব দেখে ফেলে তাহলে তো সব লন্ডভন্ড করে দিয়ে ঘর থেকে ঘরিটা সত্যিই গায়েব করবে ৷ ফিরে এসে যে টা দেখলাম সেটাই বললাম ৷ এবার ঘরির কারিসমা দেখে তো আমি অবাক ঘরিতে দু ইনচি এল ই ডি ডিসপ্লে ক্যামেরাও আছে আবার গানো বাজে ৷ এর আগে এমন ঘরি দেখিনি টাচ মোবাইল দেখছি কিন্তু টাচ ঘরি মোবাইল বিশিস্ট্য ৷ সাকিল বলল এটা কোন দেশ থেকে এনেছে ? মামা বলল উওর কোরিয়া থেকে জামায়ের ভাই দেশে আসার সময় আনছে ৷ আমি বললাম এর দাম কত হতে পারে ? সাকিল বলল, প্রায় 5000 টাকা আমি অবাক হয়ে বললাম 5000 টাকা ৷ কি বলিস তুই মামা বলল ৫৫০০ টাকা নাকি ওনার জামায় বলছে ৷ আমি বললাম সাকিল তোর আন্দাজ কিনতু হেব্বী লাজ্জায় বলল কি বলিস না তুই ৷ এর পর ঘর থেকে বেরিয়ে তারপর বারি থেকে সোজা বারিতে ঢুকতেই নানি আর মামির বোকা কোথায় যাই ৷ বোকোনি তা কোন বোকনি সেই দুপুরে বেরিয়েছি এই সন্ধা , ওমা এটা কি করে হয় রাত যে ৯ টা বাজে ! আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি পূর্ণ চাদ কোন মেঘ নেই আকাশে সচ্ছ আকাশের নিচে দুজন দারিয়ে আছি দেখে মামি বলল ঐ খানে দারিয়ে থাকলে পেট ভরবে না এ দিকে আসতে হবে ৷ সাকিল বলল তারাতারি খেয়ে নে আজকে বাহিরে থাকবো বিছানা সাজাতে হবে কোন প্রশ্ন করবি না আয় খাবি ৷ দুজনে খেতে গিয়েও মামির কথা সুনতে হলো তোরা খাসনা সারাদিন রদের ভিতরে টটো কম্পানির মতো ঘুরে বেরাস ৷ জমিটমিও দেখতে পারিস নাকি, আজকে বিকেলে জমিতে কার যেন গরু সব ধান খুচে মারে শেষ করছে ৷ তোরা দুটা সারাদিন কি করিস উওরে সাকিল বলল টটো কম্পানিতে চাকরি করি ৷ এবার না হেসে পারা যায় না মামি পানি মামি তো আরো রেগে গরম নিজেই তুলে নিলাম ৷ সাকিল দেখছি সমানে খেয়েই যাচ্ছে ৷ খাওয়া শেষ করে ঘরে গিয়ে শিতল পাটি, কোল বালিস, কোল বালিস না কি সাকিলের প্রেমিকা আমার কোল বালিস টালিস লাগে না কিনতু সাকিল কোল বালিস ছারা ঘুমাতে পারে না ৷ মশারি টর্চ আর লাটি ৷ এটা সাকিলের প্রিয় বাশের লাটি দশ গিরা ওয়ালা দুই হাত সামান্য লালটি লালটি ৷ ঘরের ঘরিতে ঢং ঢং করে বারোটা বাজার শব্দের সাথে সাকিলের ঝাকুনিতে ঘুম থেকে উটতেই হলো ৷ আমি বললাম কি ফিস ফিস করে বলল উঠ বাহিরে যাবো আমি বললাম কোথায় যাবি ৷ আরে তুই ভুলে গেছিস ঘুমানোর সময় তোকে বললাম, আসলেই সাকিল আমাকে বলেছিল সন্ধায় সেই জালানায় উকি মারা লোকটা রাতে ঐ বারিতে চুরি করতে আসবেই ৷ আর তাকে হাতে নাতে ধরতে হবে ৷ আমাদের তাতে কি লাভ ? উওরে হেসে বলল এই ঘরিটা আমি দেখে তোর কাছে আসলো কেমন করে ৷ সাকিল বললো তুই আগে বেরিয়ে ছিলি তাই লক্ষ করিস নি আমি দরজায় এসে আবার ফিরে গিয়ে ঘরি টা খুব যতনে চাচার চোখে ধুলো দিয়ে নিজের পকেটে গুজে নিলাম ৷ তুই খুললি কি ভাবে ঐটা তো চম্বুক ছারা খোলে না তুই কি রে মোবাইলের মাইকে কি চম্বুক নেই ৷ ঠিকই তো মোবাইলের পিছনের দিক ধরলেই তো লোহা উঠে এই সেদিনি একটে চাপুচ আটকে ছিলো ৷ আমি বললাম এটা যদি তোর কাছে দেখে তোকে তো চোর ভাব্বে সাকিল বলল উল্টে এটা আমাকে পুরুস্কার দিবে ৷ এবার বললাম মনে পরেছে, তাহলে দেরি কেন চল চল চল রে আজ রাতেই হবে হবে বলে আবৃতি না কবিতা কিছুই বুজলাম না যেটা বলল, আজ জোসনায় তোমারি দেখা মিলবে হে হে মহা বিদ্যার পরিচিত মুখ তবুও অপরিচিত হয়ে কই কই লুকিয়ে আছো এসে না দুজনে মোলাকাত করি ৷৷ তোমাকে দেখিবার তরে মনটা ব্যাকুল সুরে ডাকিতাছে তুমি বুঝিতে পারো না মোর নিরবতার আগমন ৷৷ যাও যাও ঢুকে যাও তোমার অপেক্ষায় যে এত সময় দরে কিরে শামিম হবে এখানে ৷ আমি কেমন করে বলবো ঐখনে কি হবে ৷ আমি কি কবি তাই বলবো আর এমন কবিতা বা আবৃতি কোনদিন শুনিযে শেষের লাইন বলবো ৷ সাকিল বললো আরে বুদ্ধো ঐ খানে রাত জাগা হবে ৷ ঠিকিই তো সাকিল তো এতক্ষন জেগেই ছিলো ৷ খুব আস্তে বারির প্রধান দরজা খুলে বাহির হলাম কিন্তু চোরের ভয় সবখানে সমান তালে চলে তাই সাকিল তালা আটকে দিলো ৷ ব্যাস এবার ধর চাবি দে লাঠি, তুই চল বাম দিকে আমি চলি ডান দিকে মানে, মানে তুই এখন বাম দিকের রাস্তা দিয়ে ঐ বার পিছনে থাকবি, আমি ডান দিক দিয়ে পিছনে থাকবো মনে আছে তো ঐ ঘরির ঘরটা ? হুম মনে আছে ৷ সাবধানে যাবি একটা পিপরেও যেন টের না পায় ৷ আমি মনে মনে বললাম একসাথে কত গাছে আম পেরে খেলাম গাছ নিজেই টের পেলো না আর পিপরে ৷ চতুর দিকে নিস্তব্ধ নিতর সব যেন আজ গ্রাম ছেরে পালিয়েছে ৷ ঐ দুর আকাশে চাদ যেন হেসে বলছে শামীম কোথায় চলেছিস এই মৃত গ্রামের রাস্তা ধরে ৷ আর কত হাটবি যা যা থেমে যা আর হাতটে হবে না তোকে ৷ ঐ যে সরু পথ দেখছিস অখানে জাসনা অন্ধকারে আমি তোকে দেখাতে পারবো পথ ৷ তোর বিপদ গতে পারে তোর কাছে তো কোন আলো নেই জাসনা তুই জাসনা ৷ আমি অন্ধকারে ঢুকে পরলাম কি অন্ধকার যে তা লেখে বোঝানোর সার্ধ নেই আমার ৷ মনে হলো যেন আজ হটাতি পূর্ণিমা ছেরে আমাবাশ্বা নেমেছে কোন দিকে কিছু দেখা যাচ্ছে না ৷ সাকিলের ঐ দিকে আলো আছে তো! ভিতু ভিতু হয়ে ভুতের মতো অন্ধকারে ছায়ার মতো চলছি ৷ নিজেকেই দেখা যায় না ভাগ্যিস কাল এই পথে হেটেছিলাম তা না হলে কি যে হতো তা বোঝতে আর বাকি নেই ৷ হঠাৎ রাতের পাখির ডাকে গা ঝাকি দিয়ে উটলো সেকেন্ড বুকের ভিতরে দুক দুক দকি 90 বার হতে সুরু করছে ৷ ভয়ে আমার গা ঘেমে পানি ঝরতে শুরু করেছে গলা সুকিয়ে কাট ৷ তবুও সামনে এগতেই ঐ যে সুরু পথের শেষ হয়েছে আলো দেখতে পেরেছি আলন্দে চিৎকার করতে ইচ্ছে করছে ৷ অন্ধকার পেরেতেই চাদ আবার হাসতে হাসতে বলল শামীম তোকে আগেই বলেছিলাম ঢুকিস না, কেমন ভয় টা পেলি বলেই হাসতে লাগলো ৷ আমি এবার মোবাইলে sms পেলাম সাকিল লিখছে তুই আয় ৷ আমি কোন দিক না তাকি ঐ বারির দিকে লক্ষ এতো জরে দৌর দেওয়া শুরু করলাম ৷ না জানি চোরগুলা সাকিল কে না ভাবার সময় নয় আরো জরে দৌরাতে হবে ৷ এই পথ যেন আর শেষ হয় না কত গলি গলির আর সেষ নেই ৷ ঐ তো তিনজন হাতা হাতি করছে কিনতু সাকিলের লাঠি লাঠি কই ৷ আমি দুই চোর লক্ষ করে গায়ের যত শক্তি আছে যা দিয়ে একটা গাছের ডাল ভঙ্গে পিট বরাবর একবার মারতেই দুজনেই মাটিতে পরে গেল সাকিও খুব দ্রত দরি দিয়ে দজনকে বেধে ফেললো ৷ আমি এক বারি মেরে হাতে ডাল নিয়ে দারি থাকথে দেখে সাকিল বলল সাবাস ৷ আমার যেন হুস ফিরে এলো বললাম তুই ঠিক আসিস তো দেখি মাথা দিয়ে রক্ত পরছে ৷ খুব দ্রত মোবাইলের লাইটেই ওর প্রাথমিক চিকিৎসা দিলাম ৷ তারপর সাকিল বলল ইস তুই আর একটু দেরি করে আসলে আমিতো মরেই যেতাম ৷ আমার ফোনে কল দে আমি বললাম কেন ফোনটা কই যেন ছিটকে পরছে ৷ কেমন করে, সাকিল বলল আমি খুব দ্রত ও অত্যেযনায় এখানে আসতেই ওদের একজনের মুখামুখি হই আমার লাটি তোলার আগেই অন্য জন আমাকে মাটিতে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় ৷ তাহলে তুই sms দিলি কেমন করে ? একটু হেসে বলল ওটা আগেই লেখা ছিল পকেট থেকে ফোন বের করেই সেন্ড বাটনে চাপ দিতেই পিছনে লাত্তি দিতেই আমি গাছের সাথে ধাক্কা খেয়ে কপাল কেটে যায় ৷ লাটিটা পায়ের কাছে পেয়ে তুলে নিয়ে অদের একজনকে দু বারি পায়ে মারতেই আরেকজন আবার ধাক্কা দেয় ৷ উটে আমি মারছি অদের ওরা মারছে আমায় এক মিনিট নাজেতেই তুই এক বারি কাত করে ফেল্লি ৷ আমি এতক্ষন লক্ষ্য করিনি এদের মুখ ঢাকা, রাগে ডালটা নিয়ে এগিয়ে আরো দুই বারি দিয়ে মুখোসটা টেনে ছিরতেই চমকে উটলাম ৷ এতো গোলজার প্রকিত চোর বটে তাই বলে কি নিজের গ্রামে ছি ছি ছি ৷ আরেক জনের মুখোস খুলবো সাকিল বলে উটলো ওটা নেরা ওর উচ্চতা দেখেই বুঝেছি ৷ তাও মুখোস টেনে ছিরে দিকি নেরা ৷ মারলাম চর গালে সালা তোর লজ্বা করে না এই বয়সে চুরি করতে তাই বলে লাত্থি মারবো এমন সময় সাকিল টেনে ধরে বলল ছেরে দে পুলিশ এলোবলে ৷ আমি নেরাকে জিঙ্গাস করলাম কিরে তোকে দেখে তো ভালো মানুষ মনে হতো ৷ ক্রিকেট একসাথেই খেলি তাহলে সাকিলকে এতো মারলি কেন নেরা কথা বলেনা চুপ ৷ এতখনে পুরা গ্রাম সংবাদ ছরিয়ে গেছে শিমাদের বারিতে চোর ধরা পরছে ৷ শিমার বাবা মা বোন বর সবাই আসলো ৷ সিত কাটা হয়েছে দেওয়ালে দেখতে পাচ্ছি ভিতরে হয়তে ঢুকতে পারছে কিনা তা জানিনা ৷ শস্তির নিশ্বাস ফেলে সাকিল বলল চল শামীম যাবো এমন সময়, শিমার বাবা এখানে শিমা হচ্ছে মামার বড় মেয়ে আর ছোট মেয়ের নাম জানিনা ওর বরের নামটাও জানিনা ৷ শিমার সাথে ছোট থাকতে সাকিল প্রেম নাকি সেটা জানিনা তবে আমায় চকলেট দিতো খেতাম ওরা গল্প করতো ৷ কি মোটা হয়েছে ওর বর টা কেমন টেপা মাসের মতো ৷ শিমার বাবার নাম মোবারক মার নাম জানিনা আর বনের নাম টাও ৷ মামা বলল সাবাস সাকিল তুমি একটা গয়েন্দার মত কাজ

Share On fb
quote
Total View :

sopon420

4 month ago

responses to শাকিল শামীমের ঘরির রহস্য

sopon420 4 month ago
গল্পের বাকি অংশঃ ⇟↶ মামা বলল সাবাস সাকিল তুমি একটা গয়েন্দার মত কাজ করেছ ৷ শিমা দেখি সাকিলের কাছে গিয়ে বলল ইস কত খানি কাটছে ৷ কে বলছে তোমাকে এই গয়েন্দা গিরি করতে হুম গয়েন্দা হয়ছে গযেন্দা বলে চলে গেল ৷ এ দিকে শিমার মা দৌরে এশে বললো বাক্সো খোলা আমি দৌরে ঘরে গেলাম দেখি বাক্সো খোলা ভিতরের লাল বাক্সটাও বাহিরে পরে খুলে পরে আছে ৷ একটু হাসিই পেল মুচকি হেসে মনে মনে বললাম বাচা ধন যতই খুজে মরো কোন লাভ নেই ৷ ঘরি যে আমাদেক হাতের মুটোই ৷ বাহিরে আসতে গ্রামের মানুষের ভির জমে গেছে কেউ বলছে মেরে ফেল কেউ বলছে পুলিশে দেওয়া হোক ৷ সাকিল মামাকে বলে এবার বিদায় নিলো ৷ সাকিল ধরেই নিতে হলো পায়ে বেথ্যা পায়ছে বেচারা ৷ ওমা বারিতে ফিরে যেই না দরজার তালা খুলছি সেই না মামা-মামি, নানা-নানির গালি কই যাই ৷ সাকিল কে ধরাধরি করে নিয়ে শুয়ে দেওয়া হলো আমার বাবার কাছে ফোন দিলো আসার জন্য চোট পাইছে সাকিল তারাতারি আসতে বলল ৷ সব কথা বারিতে বলার পর প্রথমটা রাগলেও পরে মামা নানা সাবাস বললেও মামি রেগে টং গয়ে চেচিয়ে বলল আর কোন দিন গেলে তো বলে যাবি লুকিয়ে যাবার কি আছে ৷ আজ জদি কিছু হতো এতক্ষন দুজনে খাচ্ছিলাম এবার আমাকে ধরছে তুই কই ছিলি ৷ কানে আঙুল দিয়ে বললাম মামি খিদে লাগছে কিছু দেন খাবো ৷ পরের দিন সাকিল কে বললাম এমনটা হবে তুই জানলি কেমনে ৷ উওরে বলল জালানায় যে নেরা উকি দিচ্ছিলো সেটা আগেই লক্ষ করেছিলাম কিনতু বলিনি পুরা বেপার ও দেখুক তারপর তো ঘরি চুরি করতে আসবে বেটা ৷ দেখা সেস বললাম কে কে জালানায় তারপর তুই তো দেখলি ৷ ঠাট্টা করে বলল, তোর সাহসের জন্যেই আজ আমি হাটতে পারছি এতো শক্তি পেলি কই গাছের ডাল ভাঙলি আবার একবারিতে কাত করলি ৷ হেন্দি দিয়ে কি যেন বলল বুঝতে পারিনাই ৷ প্রিয় পাঠক আপনাকে বলছি আমার গল্পটা যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের ফ্যানপেজে লাইক দিতে ভুলবেন না ৷ #গয়েন্দার আরেক নাম সাকিল & শামীম পরবর্তী গল্প আগামি মাসে অবশ্যই আনবো আমাদের সাথেই থাকুন ৷

New Comment

You Must Log in or Register to Comment